পৃথিবীর সেরা ১০ জন মুসলিম ফুটবলার। Top 10 Muslim Footballer

পৃথিবীর সেরা ১০ জন মুসলিম ফুটবলার। Top 10 Muslim Footballer বিশ্ব ফুটবলে মুসলিম ফুটবলার প্লেয়ার সংখ্যা কম নয়। পৃথিবীর সেরা ১০ জন মুসলিম ফুটবলার। ফুটবল বিশ্বে পারফরম্যান্স  টাই সবথেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ, সকল ফুটবল প্রেমিরা অবশ্যই যানতে আগ্রহী, যে কোন কোন ফুটবল তারকা রা মুসলিম, ফুটবল প্রমিদের সেই অগ্রহ কাথা ভেবেই  আমরা আজকে জানাবো আমাদের এই পোস্টের মাধ্যমে বর্তমান বিশ্বের শীর্ষে থাকা ১০ জন ফুটবলারদের। যারা ফুটবলকে গোটা বিশ্বের কাছে তুলে ধরেছেন।

বিশ্বের ১০ মুসলিম ফুটবলার

মেসুত ওজিলঃ মেসুত ওজিল হচ্ছে বর্তমানের একজন সেরা খেলোয়াড়। একজন জার্মানি ফুটবলার শিল্পী নামে স্ট্রি কিং হিসেবে পরিচিত তিনি।  উজিল খুবই দ্রুত বমি ওজিল খুবই দ্রুত বমি এবং টেকনিকাল প্লেয়ার তিন মাস থেকে টেকনিক মাধ্যমে গোলপোস্টের ভিতরে নিতে পারেন।  তার মাঝ মাঠ থেকে তার পিলিয়ার প্লেয়ারদের এমনভাবে বল পাস্ট করে থাকেন যাতে তার প্লেয়ারদের গোল করতে কোন সমস্যা হয় না এই জন্য তাকে অ্যাসিস্টিং হিসেবে পরিচিত পরিচিত করেছেন এবং তার নাম দেয়া হয়েছে অ্যাসিস্ট কিং, কিংবা মি.  অ্যাসিস্ট মেশিন।

বর্তমান সময়ে মিডফিল্ডার মিশুত উজিলকে মাঠের মাঝখানে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করতে দেখা যায়। তুর্কির বংশ দ্রুত এ জার্মানি ফুটবলার ম্যাচ শুরুর আগে কোরআন তেলাওয়াত করেন। ওজিল বলেছেন আমি মাঠে নামার আগে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি, আমার টিমমেটরা এটা জেনে ফলে তারা ঐই সময় আমার সাথে কথা বলেন না প্রার্থনা যেন বিন্ম না ঘটে। ২০১৮ সালের রাশিয়া বিশ্বকাপে উঠিলো জার্মান কে প্রথম পর্বেই বিদায় নিতে হয়তাদের এই বাজে পারফরমেন্সের কারণে ওজিলকে অনেক বিতর্ক পড়তে হয় পুজিল এটাই বলে যান আসলে আমি শুধু শরণার্থী। Top 10 Muslim Footballer-পৃথিবীর সেরা ১০ জন মুসলিম ফুটবলার লিস্টে তিনি ১ নাম্বার

পল পগবাঃ পল পগবা বর্তমান সময়ের অন্যতম মেধাবী ও জনপ্রিয় ফুটবলার পল পগবা জন্মসূত্রে তিনি একজন মুসলিমজুভেন্টাস থেকে ট্রান্সফার ফি রেকর্ড করে তিনি এখন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডেত এসেছেন। এই ক্লাবের ইউরোপা লিগ শিরোপা জয়ের অন্যতম নায়ক তিনি। মাত্র ২৪ বছর বয়সে এই লিগের শিরোপা জয়ী হিসেবে তিনি অনেক নাম কামিয়েছে এবং তার জাতীয় টিম অনেক  ফ্রান্সের হয়ে বিশ্বকাপ অনেক অবদান রেখেছে তিনি।বর্তমান সময়ে ব্যালন ডি অর দাবিদার তিনি, ম্যানিইউ’র এই তরুণ ফ্রেন্সিমানের কাছে অনেক বড় কিছু আশা করে। সময় অন্যতম দামি ফুটবলার পগবা একজন সেন্টার মিড ফিল্ডার। ২০০৭ সালে এই দামি ফুটবলার ওমরা হজ্জ পালন করেন। Top 10 Muslim Footballer লিস্টে তিনি ২য় নাম্বার

নিকলা আনেলিকাঃ নিকলা আনেলিকা ইতিহাসে অন্যতম মেধাবী স্ট্রাইকার। নিকলা সনালিকা ১৬ বছর বয়সে ধর্মান্তরিত হন। আনোলিকা  এর আগে খ্রিস্টান ধর্মম্বিত ছিলেন। আরেকটি অজানা বিষয় হল আনোলিকা ১৯৯৪ সালে তার নাম পরিবর্তন করে, নাম রাখেন আব্দুস সালাম। আনোলিকা বলেছেন ” আমি আল্লাহর সাথে আমার সম্পর্ক প্রতি মুহূর্তে অনুভব করি এবং এটি আমার জীবনে আলোকিত করেছে। “আমি একজন মুসলিম হিসেবে গর্বিত কেননা ইসলাম হচ্ছে শান্তির ধর্ম, আমি ইসলাম থেকে অনেক কিছু শিখেছি । Top 10 Muslim Footballer লিস্টে তিনি ৩য় নাম্বার।

করিম বেনজেমাঃ করিম বেনজেমা রিয়াল মাদ্রিদ স্ট্রাইকার। করিম বেনজেমা ইসলাম ধর্ম অনুসারী। রিয়েল মাদ্রিদ অন্যতম এই তারকা রোজার দিনে রোজা রেখে খেলেছেন। করিম বেঞ্জেমা অনেক ধর্মাবলম্বী কয়েকজন লোক তিনি ইসলাম ধর্মকে অনেক মেনে থাকেন তিনি তার জীবনে কখনো এ্যালকোহল ছুয়েও দেখিনি। তবে ২০১৫ সালে তিনি জাতীয় দলের সতীর্থ ম্যাথিউ ভালবুয়েনার একটি টপিক নিয়ে বিতর্কে জড়ান।

আর এর জন্য তাকে দায়ী করা হয়, আর এর জন্য তাকে দুই বছর জেল খাটতে হয় সে দুই বছর জেলে থাকা অবস্থায় তাঁর ক্লাবে থেকে তাকে বহিষ্কার করা হয় কিন্তু সে দুই বছর পর ফিরে আসতে চায় তার ক্লাবে কিন্তু তাকে ক্লাবের নেওয়া হয় না। করিম বেঞ্জেমা তাকে ফ্রান্সের ক্লাবটি থেকে বাদ পড়তে হয় আর করিম বেনজেমা বলে থাকেন সে মুসলিম বলেই তার উপরে অত্যাচার করা হয়েছে। Top 10 Muslim Footballer লিস্টে তিনি ৪থ নাম্বার।

এরিক আবদালঃ এরিক আবিদাল একজন সত্তিকারের যোদ্বা। তার পুরো নাম এরিক সিলভাইন আবিদাল। এরিক আবিদাল তার ক্যারিয়ারে তিনি বার্সেলোনা ক্লাবের হয়ে অনেক শিরোপা জিতেছেন। এই দুর্দান্ত লেফট বেকার তার ক্যারিয়ারের উল্লেখযোগ্য অসংখ্য শিরোপা দিতেছেন এর আগে মেনাকোর হয়ে প্রফেশনাল ক্যারিয়ার  শুরু করেন, তারপর খেলেছিলেন লিলি তোও। আবিদ আল বিয়ে করেছেন এবং সে বিয়ের পর কৃষ্টান ধর্ম থেকে মুসলিম ধর্ম তে আসেন।  আবিদাল বলেন সে বিয়ের জন্য খ্রিস্টান ধর্ম থেকে মুসলিম ধর্মে আসেননি সে বলেছেন এটি আল্লাহর ইচ্ছা তাই আমি ইসলাম ধর্মে এসেছি আর ইসলাম ধর্ম তার কাছে শান্তির ধর্ম হিসেবে মনে করেন ইসলাম ধর্ম থেকে সে অনেক কিছু শিখেছেন তাই ইসলাম ধর্মে তিনি এসেছেন।

আবিদাল তিনি বলেন যে ইসলাম ধর্মের সঙ্গে গর্বিত ইসলাম ধর্ম সে মনে করেন শান্তির ধর্ম আর এই জন্য সে আল্লাহর কাছে অনেক অশেষ দয়া মনে করেন তিনি এই ধর্ম আশা আসতে পেরে ইসলাম ধর্ম তার কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তাই তিনি বলে থাকেন এটি আল্লাহর উপহার হিসেবে আমাকে দিয়েছে ইসলাম ধর্ম তার কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়। 

ইব্রাহিমোভিজঃ একবার  স্কুলে 5 বছর পর আমি কি করবো, বিষয়ে সে রচনা লিখছিলেন। ইতালিতে ইতালিতে ফুটবল হিসেবে আমি খেলব আমার প্রচুর পয়সা থাকবে আর সমুদ্রের পাশে আমার একটি বাড়ি থাকবে। ইব্রাহিমোভিচ ঠিক সেই পাঁচ বছর পর পেশাদার ফুটবল খেলা শুরু করেন এবং সেটা ইতালির কোন ক্লাবে না সেটা ছিল নেদারল্যান্ডের আয়াক্যা আমস্টারডাম ক্লাবে। ইব্রাহিমোভিচ তার স্বপ্নের পূরণ করেছে করেছেন তিনি তিনি সেটাই করেছেন তিনি তাঁর মা-বাবার বিচ্ছেদের পর মানুষ হয়েছেন তার বাবা মুসলিম মুসলিম মুসলিম হয়ে ইসলামের সঠিক আদর্শ পালন করেছেন তিনি তার স্বপ্ন পূরণ করেছেন অনেক পয়সার মালিক হয়েছেন এখন বার্সেলোনার হয়ে অনেক শিরোপাজয়ী খেতাব নিয়ে রয়েছেন। Top 10 Muslim Footballer তিনি এই লিস্টে ৬ নাম্বার।

ইমানুয়েল আদেবায়োরঃ আফ্রিকা মহাদেশের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়। ইউরোপের ফুটবল এর একটি সফল ক্যারিয়ার করেছেন। তার জীবনের লক্ষ্য গুলো আস্তে আস্তে পূরণ করেছেন। তিনি বিশ্বের সেরা কয়েক জন খেলোয়াড়ের মধ্যে একজন। এবং আফ্রিকা মহাদেশের শীর্ষ  অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হিসেবে রয়েছেন।

তিনি ২০১৫ সালের খ্রিস্টান ধর্ম থেকে মুসলিম ধর্মে আসেন। মাত্র ৩১ বছর বয়সে এই খেলোয়াড়ের ইসলাম গ্রহণ নিয়ে টটেনহাম এর মধ্যে ব্যাপক বিতর্ক দেখা দিয়েছিল।  আফ্রিকার এই বিশ্বসেরা খেলোয়াড় বার্সেলোনা, রিয়াল মাদ্রিদ, আরর্সলনা, ম্যানচেস্টার বড় বড় লিগ গুলোতে খেলেছেন। টগরের এই তারকা খেলোয়াড় ২০০৮ সালের আফ্রিকার বর্ষসেরা ফুটবল খেলোয়াড় হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। 

সাদিও মানেঃ সাদিও মানে একজন মুসলিম খেলোয়াড়, সেনেগালের অখ্যাত গ্রামে এসে ছিল সেই ছেলে স্টাইকার একজন। তার সমর্থকরা তাকে আদর করে ডাকেন কাল হিরো নামে। তিনি লিভারপুল এর হয়ে অনেক নাম কামিয়েছে তিনি লিভারপুলের অনেক শিরোপা এনে দিয়েছে লিভারপুলের শিষ্যের খেলোয়াড়দের মধ্যে তিনি একজন। তিনি ইসলাম ধর্মের অনুসারী তিনি একটি সাক্ষাৎকারে বলেছেন ধর্মীয় বিশ্বাস অনেক বড় আমার কাছে আমি ইসলাম সব নিয়ম কানুন মানি এবং পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ি।

তিনি আরো বলেছেন ইসলামের সাথে ফুটবলের কোন বিরোধ নেই তাই তিনি ফুটবল খেলেন তার বাবা মা তার প্রতি অনেক গর্বিত সে ফুটবল অনেক ভালো খেলে থাকেন উল্লেখ্য সাদীয় ওমানের বাবা একজন সিনে একজন মসজিদের ইমাম ছিলেন। ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে সবচেয়ে দ্রুততম হ্যাট্রিকার হিসেবে পরিচিত হয় তিনি দুই মিনিট ৫৬ সেকেন্ডে একটি হ্যাটট্রিক করে যা ইংলিশ লীগের সর্বপ্রথম।

রুইয়ানি ফেলাইনিঃ মারুইয়ানি ফেলাইনি ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড মিডফিল্ডার মারুইয়ানি ফেলাইনি জন্মসূত্রে তিনি একজন মুসলিম তার পিতা মাতার মরক্কোর অধিবাসী ছিলেন তিনি ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে দুটি শিরোপা জিতেছেন মাত্র ২৯ বছর বয়সে তার এখন চার অথবা পাঁচ বছর পাবেন নিজের অন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার জন্য। জাতীয় দলের হয়ে মারুইয়ানি ফেলাইনি ১২ বছর খেলেছেন ৮৮ টি ম্যাচ খেলে ৩১ বছর এই বয়সি ফুটবলার ১৮ টি গোল করেছেন। দুইটি বিশ্বকাপ খেলেছেন গেল বছরে তিনি বেলজিয়ামের হয়ে রাশিয়া বিশ্বকাপ খেলেছেন এবং তাদের দল তৃতীয় হয়েছেন।

জিনেদিন জিদানঃ সর্বকালের অন্যতম ফুটবলার জিনেদিন জিদান ।ফুটবলের মারাত্মক ও সবচেয়ে বিখ্যাত একজন খেলোয়ার জিনেদিন জিদান। মুসলিম ফুটবলারদের মধ্যে সবচাইতে বিখ্যাত খেলোয়াড় তিনি। খেলোয়াড় হিসেবে সাফল্য পার করার পর একজন সাফল্য কোর্স হিসেবেও পার করেছেন। রিয়ালের হয়ে ইতিহাসে প্রথম কোন ম্যানেজার হয়ে শিরোপা জয়ী করেছেন টানা তিনটি চ্যাম্পিয়নশিপ জিতেছে মুসলিম ফুটবলার এই ফ্রেন্ডস ফুটবলার তার ধর্ম বিষয়ে গোপনতা বজায় রাখেন এবং ব্যক্তিগত বিষয়ে প্রকাশে কিছু বলেন না।

১৯৯৮ বিশ্বকাপের ফাইনালে ব্রাজিলের বিপক্ষে দুইটি গোল করে জিদান দুটি গোলে তিনি প্রথম কণার থেকে পাওয়া বলে হেড করার মাধ্যমে গোল করে থাকেন এই ম্যাচটিতে ফ্রান্স ব্রাজিলকে ৩-০ গোলে হারিয়ে দেন প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ জয়ের গৌরব তুলেন ফ্রান্স আরজি ধান ম্যান অফ দ্যা ম্যাচ শিরোপা জয়ী হন ম্যাচের মাধ্যমে তিনি প্রথম কোন মুসলিম ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপের ফাইনাল গোল করে গৌরব অর্জন করেন ২০০৭ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি জিদান এইচআইভি ও এইচ তহবিলের গঠন করে।

শেষ কথাঃ প্রিয় ভিউয়ার্স এই Top 10 Muslim Footballer মধ্যে আপনার প্রিয় ফুটবলার কে সেটা আমাদের কমেন্ট বক্সে জানাবেন এরকম আরো ফুটবল বিষয়ে ইন্টারটেইনমেন্ট বিষয়ক সকল তথ্য পেতে আমাদের ওয়েবসাইটটির সাথে থাকুন।

Leave a Comment