১০১টি বাণী ও উক্তি, স্বামী বিবেকানন্দের বাণী ছবি

স্বামী বিবেকানন্দের শিক্ষামূলক সেরা কিছু বাণী ও উক্তি আজও অনুপ্রাণিত করে শুধু যুবসমাজ না, সকল ভারতবাসীকে আজও অনুপ্রেরণা দেয়। যুব সমাজের নবজাগরণের পথিক স্বামী বিবেকানন্দ নিজে দারিদ্রতাকে সামনে থেকে দেখেছিলেন। রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের আধ্যাত্মিক শিষ্য বিবেকানন্দের সাথে ১৮৮৭ সালের নভেম্বরে শ্রীরামকৃষ্ণের সঙ্গে প্রথম দেখা হয়।

১৮৮৭ সালে জানুয়ারিতে নিজেই বিরজা হোম সহ অন্য ক্রিয়াকর্ম করে আনুষ্ঠানিকভাবে গেরুয়া ধারণ করেন স্বামীজি। নাম হয় স্বামী বিবিদিষানন্দ। কথিত ক্ষেত্রীর মহারাজা উচ্চারণের সুবিধার্থে স্বামীজির নতুন নাম দেন বিবেকানন্দ।

স্বামী বিবেকানন্দের বাণী

>> জেগে ওঠো, সচেতন হও এবং লক্ষ্যে না পৌঁছান পর্যন্ত থেমো না।

>> সারাদিন চলার পথে যদি কোনো সমস্যার সম্মুখীন না হও, তাহলে বুঝবে তুমি ভুল পথে চলেছ।’

>> যদি সত্যিই মন থেকে কিছু করতে চাও তাহলে পথ পাবে; আর যদি না চাও তাহলে অজুহাত পাবে।’

>> কাপুরুষরাই পাপ কাজ করে, মিথ্যা কথা বলে। বীর কখনও পাপ করে না।

>> হে বীর হৃদয় যুবকবৃন্দ, এগিয়ে যাও। লক্ষ লক্ষ মানুষ ক্রমশ ডুবছে, তাদের উদ্ধার করো। মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত এটাই আমাদের মূলমন্ত্র।

>> আবেগের পথে না চলে বিবেকের,,পথে চলো দেখবে তুমি তোমার জীবনটা

>> সুন্দর করে গড়তে পারবে কারণ পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ আদালত হলো মানুষের বিবেক।

>> এক দিনে বা এক বছরে সফলতার আশা কোরো না। সবসময় শ্রেষ্ঠ আদর্শকে ধরে থাকো।

>> তুমি খ্রিষ্টের মতো ভাবলে তুমি একজন খ্রিষ্টান, তুমি বুদ্ধের মতো ভাবলে তুমি একজন বৌদ্ধ। তোমার ভাবনা, অনুভূতিই তোমার জীবন, শক্তি, জীবনীশক্তি। যতই বুদ্ধি দিয়ে কাজ করো, এগুলি ছাড়া ভগবানের কাছে পৌঁছনো সম্ভব নয়।

>> উঠে দাঁড়াও, শক্ত হও, দৃপ্ত হও। যাবতীয় দায়িত্ব নিজের কাঁধে নাও। আর এটা সব সময় মাথায় রেখো,

>> তুমিই তোমার নিয়তির স্রষ্টা। তোমার যে পরিমাণ শক্তি প্রয়োজন, সবটা তোমার মধ্যেই রয়েছে। সুতরাং নিজের ভবিষ্যত্‍‌ নিজেই তৈরি করে নাও।

>> এমন কাজ করে চলো যে তুমি হাসতে হাসতে মরবে আর জগৎ তোমার জন্য কাঁদবে।

>> যতদিন বেঁচে আছেন, শিখুন। অভিজ্ঞতা হল পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ শিক্ষক।

>> যারা তোমায় সাহায্য করেছে, তাঁদের কখনও ভুলে যেও না। যারা তোমাকে ভালোবাসে, তাদের কোনও দিন ঘৃণা করো না। আর যারা তোমাকে বিশ্বাস করে, তাদের কখনও ঠকিয়ো না।

>> ঘৃণার শক্তি অপেক্ষা প্রেমের শক্তি অনেক বেশি শক্তিমান’।

>> একটি সময় একটি কাজ কর এবং সেটা করার সময় নিজের সবকিছুই তার মধ্যে ব্যয় করে দাও।

>> মনের মতো কাজ পেলে অতি মূর্খও করতে পারে। যে সকল কাজকেই মনের মতো করে নিতে পারে, সেই বুদ্ধিমান। কোনও কাজই ছোট নয়।

>> স্বামী বিবেকানন্দের শিক্ষামূলক সেরা কিছু বাণী ও উক্তি আজও অনুপ্রাণিত করে শুধু যুবসমাজ না, সকল ভারতবাসীকে।

>> যারা তোমায় সাহায্য করেছে, তাঁদের কখনও ভুলে যেও না। যারা তোমাকে ভালোবাসে, তাদের কোনও দিন ঘৃণা করো না। আর যারা তোমাকে বিশ্বাস করে, তাদের কখনও ঠকিয়ো না।

>> সারাদিন চলার পথে যদি কোনো সমস্যার সম্মুখীন না হও, তাহলে বুঝবে তুমি ভুল পথে চলেছ।

>> ঘৃণার শক্তি অপেক্ষা প্রেমের শক্তি অনেক বেশি শক্তিমান।

>> জীবে প্রেম করে যেই জন সেই জন সেবিছে ঈশ্বর।

>> উঠে দাঁড়াও, শক্ত হও, দৃপ্ত হও। যাবতীয় দায়িত্ব নিজের কাঁধে নাও। আর এটা সব সময় মাথায় রেখো, তুমিই তোমার নিয়তির স্রষ্টা। তোমার যে পরিমাণ শক্তি প্রয়োজন, সবটা তোমার মধ্যেই রয়েছে। সুতরাং নিজের ভবিষ্যত্‍‌ নিজেই তৈরি করে নাও।’

>> তুমি খ্রিষ্টের মতো ভাবলে তুমি একজন খ্রিষ্টান, তুমি বুদ্ধের মতো ভাবলে তুমি একজন বৌদ্ধ। তোমার ভাবনা, অনুভূতিই তোমার জীবন, শক্তি, জীবনীশক্তি। যতই বুদ্ধি দিয়ে কাজ করো, এগুলি ছাড়া ভগবানের কাছে পৌঁছনো সম্ভব নয়।

আরও দেখুন,

পোষ্ট ট্যাগঃ উক্তি ১০১টি বাণী স্বামী বিবেকানন্দের বাণী, স্বামী বিবেকানন্দ উক্তি, স্বামী বিবেকানন্দের বাণী, স্বামী বিবেকানন্দ, ধর্ম নিয়ে বিবেকানন্দের উক্তি, শিক্ষা সম্পর্কে স্বামী বিবেকানন্দের বাণী। আমাদের পোষ্ট টি ভালো লাগলে অবশ্যয় শেয়ার করবেন, ধন্যবাদ।

Leave a Comment