১০০+ হুজুর হুজুরনী পিক, ছবি

সম্মানিত পাঠক ভাই ও বোনেরা আপনারা যারা অনলাইনে হুজুর হুজুরনী পিক খুজেন তাদের জন্য আজ আমরা কিছু নতুন পিক নিয়ে এসেছি। আপানারা চাইলে পিক গুলা দেখতে করতে পারবেন। আমরা এই পোষ্ট টির মাধ্যমে নতুন নতুন কিছু হুজুর হুজুরনী পিক, রোমান্টিক হুজুর হুজুরনীর, ভালবাসার হুজুর হুজুরনীর পিক, ভালোবাসার হুজুর হুজুরনীর পিক, হুজুর হুজুরনী পিক ফটো ছবি, রোমান্টিক হুজুর হুজুরনীর পিক, রোমান্টিক হুজুর হুজুরনী পিক, বোরকা পরা হুজুর হুজুরনী সুন্দর কিছু ইসলামিক পর্দাশীল পিক শেয়ার করবো।

হুজুর হুজুরনী পিক ফটো ছবি

স্বামী-স্ত্রীর মাঝে সম্পর্ক কেমন হবে?

-চোখ ও হাতের মতো

 

কেমন?

-হাতে ব্যথা লাগলে, চোখ দিয়ে অশ্রু ঝরে। চোখ দিয়ে অশ্রু ঝরলে, হাত তা মুছে ফেলে।

হুজুর হুজুরনী পিক 

<yoastmark class=

হুজুর হুজুরনীর রোমান্টিক গল্প

পুরুষ তো জান্নাতে একাধিক নারী পাবে, কিন্তু নারী কী পাবে?

অবিবাহিতা বা তালাকপ্রাপ্তা নারী এবং যার স্বামী দোযখবাসী হবে, তাদের ইচ্ছামতো জান্নাতী কোন পুরুষের সাথে বিবাহ দেওয়া হবে।

কয়েকটি দুর্বল হাদীসে এসেছে যে, মারয়্যাম, আসিয়া ও (মূসা নবীর বোন) কুলসুমের বিবাহ হবে শেষ নবী ﷺ-এর সাথে। (সিঃ যয়ীফাহ ৫৮৮৫, যয়ীফুল জামে’ ১২৩৫, ১৬১১নং)

পৃথিবীতে যে নারীর একাধিক বার একাধিক পুরুষের সাথে বিবাহ হয়েছিল তারা সকলেই জান্নাতে গেলে সে যে স্বামীর বিবাহ-বন্ধনে থেকে মারা গিয়েছিল, তার সেই শেষ স্বামীরই স্ত্রী হবে জান্নাতে। (সঃ জামে’ ৬৬৯১নং)

তাদের আমলে তারতম্য থাকলেও মহান করুণাময় তাদেরকে আপোসে মিলিত করবেন একই জান্নাতে।

স্বামী-স্ত্রী উভয়ে জান্নাতী হলে স্বামী অতিরিক্ত জান্নাতী হুর পাবে। কিন্তু স্ত্রী কী পাবে?

স্ত্রী একটি স্বামী নিয়ে দুনিয়াতে সুখিনী ছিল, জান্নাতেও সেই একটি স্বামী নিয়েই সুখিনী হবে।

অতিরিক্তভাবে সে তার স্বামীকে রূপে-গুণে অতিরিক্ত সুন্দররূপে পাবে। যেমন লোভনীয় স্ত্রী হবে পুরুষের জন্য, তেমনই লোভনীয় স্বামীও হবে মহিলার জন্য।

জান্নাতী মুখমন্ডলে স্বাচ্ছন্দ্যের সজীবতা দেখতে পাবে। (মুত্বাফফিফীনঃ ২২-২৪)

যেহেতু জান্নাতীগণ জান্নাতে পরিপূর্ণ নেয়ামত লাভ করবে।

নিজ দেহ ও আকৃতি-প্রকৃতিতেও পরিপূর্ণ শক্তি ও সৌন্দর্য লাভ করবে।

সকলেই আদি পিতা আদম (আলাইহিস সালাম)-এর মত দীর্ঘ দেহী হবে ষাট হাত।

তাদের হৃদয়ও হবে একটি মানুষের হৃদয়ের মতো, পবিত্র ও নির্মল। আইয়ুব নবীর হৃদয়ের মতো।

জান্নাতে জান্নাতীরা অসীম রূপবান হবে। আকৃতি পূর্ণিমা রাতের চাঁদের মতো। নবী ইউসুফ (আঃ)এর রূপের মতো। (সিঃ সহীহাহ ২৫১২নং) অথবা আকাশের সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্রের ন্যায় জ্যোতির্ময়।

তাদের অপ্রয়োজনীয় কোন লোম থাকবে না।

পুরুষদের গোঁফ-দাড়িও থাকবে না।

চক্ষুযুগল হবে কাজলবরণ। যেন তাদের চোখে সুর্মা লাগানো হয়েছে।

সকলেই হবে ৩০ অথবা ৩৩ বছরের যুবক।

তারা (জান্নাতে) পেশাব করবে না, পায়খানা করবে না, থুথু ফেলবে না, নাক ঝাড়বে না। অর্থাৎ, এ সবের প্রয়োজন থাকবে না।

তাদের চিরুণী হবে স্বর্ণের। তাদের ঘাম হবে কস্তুরীর ন্যায় সুগন্ধময়। তাদের ধুনুচিতে থাকবে সুগন্ধ কাঠ।

তারা সকলেই একটি মানব কাঠামো, আদি পিতা আদমের আকৃতিতে হবে (যাদের উচ্চতা হবে) ষাট হাত পর্যন্ত।

আর শাররিক-ক্ষমতা?

 

প্রত্যেক জান্নাতীকে একশ জন পুরুষের সমান যৌন-শক্তি ও সঙ্গম ক্ষমতা প্রদান করা হবে। (তিরমিযী ২৫৩৬)

দুনিয়াতে বিশ্রাম গ্রহণকারীরা বিশ্রাম নেয়। কোন ক্লান্তি থেকে আরাম নেয় ও গভীরভাবে নিদ্রা যায়। জান্নাতে কোন ক্লান্তি নেই, নিদ্রা নেই। নিদ্রা হলে যে আরাম ও আনন্দ চলে যাবে। তাছাড়া নিদ্রা হল এক প্রকার মৃত্যু। জান্নাতে কোন প্রকার মৃত্যু নেই। (সিঃ সহীহাহ ১০৮৭নং)

এমন স্বামী একটাই কি যথেষ্ট নয় নারীর জন্য?

আর সতীনের কথা? তাদের মাঝে কোন হিংসা-ঈর্ষা-বিদ্বেষ থাকবে না। বরং দুনিয়ার স্ত্রীই হবে তাদের সর্দার।

তাহলে জানাযার দুআয় কেন বলা হয়, ‘ওর (দুনিয়ার) জুড়ী অপেক্ষা উত্তম জুড়ী দান কর?’

তার মানে এই নয় যে, যার স্বামী জান্নাতী হবে, তার দুনিয়ার স্বামী ছাড়া অন্য স্বামী দান কর। বরং তার অর্থ হবে, দুনিয়ার স্বামীর যে গুণাবলী ছিল, তাকে তার চাইতে উৎকৃষ্ট গুণের স্বামীতে পরিবর্তন ক’রে ওকে দান কর।

আর স্বামীহীন হলে তার অর্থ হবে, যে স্বামী তার ছিল অথবা নির্ধারিত ছিল, তার চাইতে ওকে উত্তম স্বামী দান কর জান্নাতে।

হুজুর হুজুরনী পিক

হুজুর হুজুরনী পিক
হুজুর হুজুরনী পিক

Hujur Hujurni pic

<yoastmark class=

<yoastmark class=

hujur hujurni couple pic

hujur hujurni couple pic
hujur hujurni couple pic
hujur hujurni couple pic
hujur hujurni couple pic
hujur hujurni couple pic
hujur hujurni couple pic

আরও দেখুন,

শেষ কথা

আসা করি আপনারা আপনাদের পছন্দের ছবি টি পেয়ে গেছেন হুজুর হুজুরনী পিক, hujur hujurni couple pic, hujur hujurni pic গুলা ভালো লাগলে শেয়ার দিবেন। ধন্যবাদ

Leave a Comment